পুকুরের পানি থেকে মাছের সংখ্যা বেশি,খাবার দিতেই আর পানি দেখা যাচ্ছে না,পুরো পুকুর লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম যুবকের! তুমুল ভাইরাল ভিডিও

নিজস্ব প্রতিবেদন:মাছ একটি অত্যন্ত সুস্বাদু খাবার। যা মানবদেহের আমিষের ঘাটতি মেটায়। আর এই মাছ বর্তমানে গ্রামের কৃষকরা চাষ করে থাকে। যাদেরকে আমরা মৎস্য খামার হিসেবে চিনে থাকি। মাছের খামার গুলোতে আমরা পরিদর্শন করলেই দেখতে পারব যে, তারা বিভিন্ন জাতের মাছ বিভিন্নভাবে বড় করে তোলে।

তারা সময়মতো মাছের খাবার দেয়া, পানি দেওয়া এগুলো করে থাকে।বর্তমানে মৎস্য খামার গুলো বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কারণ কৃষি অধিদপ্তর থেকে মৎস্য খামারের উপর প্রশিক্ষণ নিয়ে খামারিরা বিভিন্ন ধরনের মাছ চাষ করে দেশের আমিষের চাহিদা মেটাচ্ছে এবং দেশের বাহিরে ও রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারে।

বাংলাদেশে এমন অনেক মৎস্য খামারি আছে যারা। শুধু বিদেশে রপ্তানি করার জন্য মৎস্য চাষ করে থাকে।মৎস্য খামার পরিদর্শন করার সময় সত্যিই মনটা আনন্দে ভরে যায়। মনে হয় এখানেই থেকে যাই আর এখানে আমার নিজস্ব একটি মৎস্য খামার করে নিজের মৎস্য চাষ করে অর্থ উপার্জন করে।

তারা যখন মাছের জন্য খাবার নিয়ে আসে পুকুরের পাশে তখন মাছগুলো বুঝতে পারে এবং পুকুরের কিনারায় এসে ভিড় জমায়। মাছগুলো খাবার খাওয়ার জন্য অস্থির হয়ে পড়ে।মাছের খাবারের জন্য বাজারে আলাদা করে মাছের খাবার কিনতে পাওয়া যায়।

আর সেই খাবার বাজার থেকে কিনে নিয়ে এসে একটি বড় বলে রাখা হয় এবং সে খাবার গুলোর সাথে মিশিয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে একসাথে মিশাতে হয়। মেশানো হয়ে গেলে পুকুরের মধ্যে খাবার ছিটিয়ে দিয়ে খাবার দেয়া হয়। আর মাছগুলো খাবার পেয়ে খুব আনন্দ পায় এবং নিজেদের মধ্যে খাবার ভাগ করে নিয়ে খেতে শুরু করে।

কাপড়ের দৃশ্য দেখতে খুব অসাধারণ লাগে।কারণ তখন শুধু পুকুরের মাছ দেখা যায়। পুকুর যেন মাঠে কালো রঙের ছেয়ে যায়। তখন পুকুরে পানি আছে কিনা মনে সন্দেহ জেগে ওঠে। খামারিরা প্রথমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে বাজার থেকে মাছের পোনা কিনে নিয়ে আসে। এরপর তারাই মাছকে ভালোভাবে লালন-পালন করতে থাকে।

এবং রাতে পুকুর গুলো পাহারা দেওয়া দিতে হয় তা না হলে চড়িশিয়ে মাছ চুরি করে নিয়ে যায়।এ ধরনের মাছের দৃশ্য দেখতে সত্যিই খুব অসাধারণ লাগে। আশ্চর্য লাগে এইটাই যে, মাছগুলো যখন একসাথে খাবার খেতে আসে। তার অপরূপ দৃশ্য দেখে। খামারিরা শুধু মাছকে খাবার দিয়ে মাছের লালন-পালন করে না।

সময়মতো পুকুরের পানি পরিবর্তন করে এবং পুকুরের পানি সঠিক তাপমাত্রা সঠিক পরিমাণে আছে কিনা সেটিও পরীক্ষা করে দেখে। কারণ একটি সম্পুর্ন ভালো পরিচর্চায় মাছ সুস্থ এবং ভাল মানের মাছ পাওয়া যায় এবং ভালো মানের আমিষ পাওয়া যায়।একটি বড় আকারের মাছ বেশ ভালো দামে বিক্রি করা যায়।

যেটা ছোট বা মাঝারি আকারের মাছের পাওয়া যায় না। কারণ মাছ বড় করতে হলে অনেক অর্থের প্রয়োজন হয়। আর এই মাছগুলো যখন বিদেশে রপ্তানি করা হয় তখন বিদেশি ব্যবসায়ীরা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করে মাছ ক্রয় করে। তাই মাছের পরিচর্যা সঠিক না হলে এ ধরনের পুঙ্খানুপুঙ্খ

পরীক্ষায় ব্যবসায়ীরা লস হয়ে যায়।সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়া এই মাছের দৃশ্য দেখে সবাই অনেক সাড়া ফেলে। আশ্চর্যজনকভাবে এধরনের এত মাছ দেখলে মানুষ বিস্মৃত হয়ে পড়ে। আর এই ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি প্রচুর পরিমাণে নেটদুনিয়ায় সারা জায়গায় এবং মানুষের মনে এই ভিডিওটি জায়গা করে নেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *