ডোবার মধ্যে খড়ের স্তূপ ফেলে দুই দিন পরেই স্তূপটি উপরে তুলতেই তাতে পাওয়া গেল অনেক কৈ ও টাকি মাছের ঝাক, দারুন এই ভিডিওটি তুমুল ভাইরাল।

নিজস্ব প্রতিবেদন:বর্তমানে গ্রামের অধিকাংশ মানুষ শখের বসেই মাছ ধরে থাকে। তবে আমরা যারা শৈশব কাটিয়েছি গ্রামে তারা অবশ্যই ছোটবেলার মাছ ধরাটাকে মিস করে থাকি। অসংখ্য মাছ ধরার পদ্ধতি রয়েছে। বিভিন্ন পদ্ধতিতে বিভিন্ন রকম সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে জাল, বরশি, কুচ, ও বিভিন্ন প্রকার ফাঁদ। যেগুলো দিয়ে মানুষকে সচরাচর মাছ ধরতে দেখা যায়। এছাড়াও বিভিন্ন প্রকার সরঞ্জাম রয়েছে ।

এগুলো দিয়ে সচরাচর মাছ ধরতে দেখা যায়না।তবে দিন দিন আরো নতুন নতুন সরঞ্জাম আবিষ্কার হচ্ছে যেগুলো দিয়ে মাছ ধরার অনেক সহজ হয়ে যাচ্ছে। আজকের এই ভিডিওতে একটি ভিন্ন রকমের মাছ ধরার চিত্র ধারণ করা হয়েছে। যা ইন্টারনেটে আপলোড হওয়ার সাথে সাথে প্রচুর পরিমাণে ভাইরাল হয়।তবে এই পদ্ধতিতে সচরাচর মাছ ধরা হয় না। শুধুমাত্র যে পানি গুলোতে টাকি, কৈ ,খলিসা,দেশী পুটি, ইত্যাদি রকম দেশীয় মাছ পাওয়া যায় ওই স্থানগুলোতে এ পদ্ধতিতে মাছ ধরা যায়।

ভিডিওটিতে কিছু ছোট ছোট ছেলেরা একটি বড় খড়ের স্থুপ একটি ডোবার পাশে ফেলে রাখে। খড়ের স্থুপ পচে যাওয়ার কারণে এর ভিতর দিয়ে গর্ত তৈরি হয়। আমরা সকলেই জানি যে মাছ আবাসস্থল হিসেবে বিভিন্ন গর্ত নির্বাচন করে। আর ওই খড়ের স্থুপটি অনেকদিন পানিতে পড়ে থাকায় এর গর্তগুলোতে টাকি, কৈ, খলিসা মাছের মতো দেশগুলো বাসা তৈরি করে নেয়। খেজুর গাছের টুকরোটি ফেলে রাখার কিছুদিন পর টেনে এটিকে উপরে উঠানো হয় ।

এবং টেনে উপরে উঠানোর সাথে সাথে এর ভেতর থেকে মাছগুলো বেরিয়ে আসতে থাকে। তারপর স্থুপটি কেটে এর মধ্য থেকে আরো অনেকগুলো মাছ বের করা হয়। এ ধরনের দেশীয় টাটকা মাছ বর্তমানে সচরাচর পাওয়া যায় না। মাছের আবাসস্থল তৈরীর মাধ্যমে অন্যান্য বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহার করলেও এরকম সরঞ্জাম খুব কমই ব্যবহার করা হয়।স্থুপ টুকরো দিয়ে কিভাবে এই দেশীয় মাছগুলো ধরল তা দেখতে না টেনে পুরো ভিডিওটি দেখুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *